চতুর্থ ব্রিজের নাম ‘প্রেকচু’। যে নদীর ওপর এই ব্রিজ নির্মিত তার নামানুসারেই এই ব্রিজের নাম রাখা হয়েছে। প্রেকচু নদী কিছুদূর গিয়ে রতঞ্চু নদীর সাথে মিশেছে এবং রতঞ্চু তিস্তায় গিয়ে মিশেছে আরও কিছুদূর যাওয়ার পর। প্রেকচু ব্রিজের নিকট কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমরা আবার হাটা শুরু করলাম কিন্তু ততক্ষনে প্রায় ৩.৩০টে বেজে গেছে। এবারে পুরো পথটাই চড়াই। বাখিম যখন পৌছালাম তখন বিকাল ৫টা। বাখিম থেকে শোকা আরও তিন কিলোমিটার। ২০১১ সালের ভূমিকম্পে সিকিমের যে ক্ষতি হয়েছিলাম যা আমরা গত পুজোয় ইয়াম্থ্যাঙ ভ্যালি যাওয়ার সময় লক্ষ করেছিলাম, বাখিমে এসে তা আবার সচক্ষে দৃশ্যমান হল। এখানকার ট্রেকার হাটের নিচের দিকে বড়সড় ফাটল দেখা দিয়েছে যার ফলে এই ট্রেকার হাট এখন পরিত্যক্ত। সন্ধ্যে ৬.৩০টা নাগাদ আমরা শোকাতে পৌছালাম। অন্ধকারে এলাকা বিশেষ বোঝা যাচ্ছে না। তাই তখনকার মত আমরা আমাদের টেন্টে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়াই শ্রেয় মনে করে গরম চায়ে চুমুক দিতে দিতে টেন্টে প্রবেশ করলাম। ১৬ কিলোমিটার হাঁটার পরে আমরা প্রত্যেকেই কম বেশী ক্লান্ত থাকায় তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম। ঘুম ভাঙল তাসিজির আওয়াজে। টেন্ট থেকে বেড়িয়ে প্রথম সূর্যের আলোয় শো...