সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2017 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ডুবঃ অববাহিকার চরে পরে আছে শুধু মুহূর্তরা

সামাজিক পরিসর আমাদের নিয়মকানুনের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ করে। নিয়ম বহির্ভূত কাজ সমাজের কাছে চক্ষুশূল করে তোলে। কিন্তু কাছের মানুষের কাছে? পরিবারে কাছে? এবং অতঃপর নিজের কাছে?  জাভেদ হাসান আমাদের কাছে সেই চরিত্র যার সাথে বাস্তবের মিল খুঁজে বের করে আমরা তাকে কোণঠাসা করে দিই। তার প্রতিভার ওপর জোর না দিয়ে তার সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করি। আমরা তার মূল্যবোধ নির্ধারন করি। মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকির ‘ডুব’ সেই গভীর পরিসরের গল্প এনে বলে যে গল্পে জাভেদ হাসান আমাদের সেই পরিচিত মুখ যার অন্দরমহলের আনাচে কানাচে আমাদের নজর থাকে। ‘ডুব’ বায়োপিক কিনা সে প্রশ্ন প্রশ্নাতীত। চরিত্রের সাথে মিল না খুঁজে আমরা যদি চরিত্রের অতলে ডুব দিই তাহলে আমাদের কাছে এক জটিল সম্পর্কের রসায়ন খুলে যাবে যেখানে বারবার বাবার দেওয়া উপহার ফিরিয়ে দেওয়া মেয়ে বাবার তার গলা শুনতে চাওয়ার ফোন পেয়ে কেঁদে ওঠে। ডুব আমাদের ঝা চকচকে এখনকার বাংলা ছবি থেকে খানিক নিস্তার দিয়েছে। এখানে গল্প শুধু বহমান সময়ের হাত ধরে এগিয়ে চলে। এখানে গল্পের মাপকাঠি নেই। জাঁকজমকপূর্নতা নেই। ক্যামেরা এখানে শুধু মুহুর্তকে ধরে রাখে না, এক ছান্দিক গতিতে সে চরি...

আ ডেথ ইন দ্যা গঞ্জঃ চেতনার সংশোধন

আমাদের ছোটবেলায় দল বেধে পিকনিক যাওয়ার কোন রেওয়াজ ছিলনা। কারন মফঃস্বল ততদিনে এই শহুরে আদবকায়দা শিখে উঠতে পারেনি। ভ্যাকেশন বলতেও আমাদের কিছু ছিলনা। ঘুরতে যা ওয়া বলতে বুঝতাম প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পুরীর সমুদ্র সৈকত। আমাদের গ্রীষ্মের ছুটি কাটত নন্টে ফন্টে, টেনিদা, ফেলুদা এদের সাথে। অ্যাস্টেরিক্স বা টিনটিন আমাদের দরজায় কড়া না ড় ত না। আমাদের কোন আলাদা দেশের বাড়ি ছিলনা, আমাদের ঘুরতে যাওয়ার কোন জায়গা ছিলনা আলাদা করে। তাই ছুটি কাটানোর ব্যাপারটা রপ্ত হয় অনেক পরে এসে। যখন ক্লান্তি হানা দেয় তখন মনে হয় পালিয়ে যাই কোথাও। এই পালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে এসে বলি যে বাঙালির ছুটি কাটানোর প্রবণতা বিশাল। আসলে ছুটি কাটানো নিত্য জীবন থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়ার আশ্বাস। একটু জল বাতাস পেয়ে নিত্যকার ক্লান্তি কাটিয়ে ফিরিয়ে আসা। এই ছুটি কাটানোর অন্যতম প্রধান স্থান একসময় ছিল পশ্চিম। সিমুলতলা, মধুপুর, পালামৌ এবং ম্যাক্লাক্সিগঞ্জ। শেষের নামটা পড়লেই বোঝা যায় একটা বিদেশী ফিলিং আছে। ১৯৩২ সালে যখন আরনেস্ট টিমোথি ম্যাক্লাক্সি ২০ টা পরিবার নিয়ে বর্তমান ঝাড়খণ্ডের অন্তর্গত এই ম্যাক্লক্সিগঞ্জ বানালেন, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একেব...