সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শেষের অংশটা

অন্ধকারে পথ হাঁটত রবি, আর সুদেষ্ণা আঁকত ছবি। সেই পথেই একদিন দেখা ওদের, প্রথম দেখাতেই প্রেম, এরপর শুরু দিন বদলের।     ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মেলামেশা, একে ওপরের কাছে আসা। এরপর এক অনিয়মিত আবদার, দেখাশুনাও হত মাঝেমধ্যে আবার।     রবি লিখত চিঠিতে ভরা কবিতা, আর সুদেষ্ণা রাখত বুকের মাঝে গুছিয়ে তা। একটা ইচ্ছে ছিল ওদের ঠিক যেমনটা আছে আমাদের।   কিন্তু সময় বড়ই সূক্ষ্ম, পাশ কাটিয়ে যায়- আর রবি শুধুই অন্ধকারে আলোকে হাতড়ায়, সুদেষ্ণা পাশে এসে দাড়ায়, বৃষ্টির দিনে, একটা ছাতায় ওদের দুজনের চলে যায়।   কিন্তু কটাই বা স্বপ্ন ছিল ওদের? ওরাই তা জানত। আমি শুধু জানি, ওরা একসাথে থাকতে চাইত।     ওরা ঝড় ওঠবার ভয় পেত, লোকাল ট্রেনে আলাদা বসত, আর কখনও বা সুযোগ পেলে- হাতে হাত ধরত।   আর মাঝে মাঝে বলত- ‘শেষের কবিতা’র মতন আমাদের শেষটাও যদি এক হয়?   কিন্তু কেইই বা মানতে চায় সবটা শুধু আমিই দাড়িয়ে দেখেছি শেষটা। ...

আর্তনাদ

  আমি দীর্ঘ অনন্তদেহী নই, আমি ক্ষুদ্র, আমি তুচ্ছ, হাওয়া দিলে উড়েও যেতে পারি। তবুও মন আছে, দেহ আছে, ঘর আছে, সংসার আছে, আর আছে ফুটপাথে রাত কাটানো, ঐ বাচ্চাটার পাশে দাঁড়ানোর সাহস। যে সাহস অর্জন করেছি, ঐ মানুষটাকে দেখে। যাকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছিল সকল খাত থেকে, পাগল পাগল বলে চেল্লিয়ে উঠেছিল সকলে, তিনিও তো ভেবেছিলেন, ভালোবাসা সকলের তরে বিলিয়ে দেওয়ার জন্যই। ঐ যে ঐ মানুষটা, যাকে দেখে তোমরা বুকে সাহস বাঁধলে, দুর্গমকে সুগম করার কাজের ভার নিলে, আমি তো তার কথাই বলছি। আমি তো তার কথাই বলছি, যে বারবার আমাদের বলতে চেয়েছিল- ভালোবাসাই একমাত্র আনতে পারে পরিবর্তন। আজ সে নেই, তার নামে কোন নামফলক নেই, টাকা নেই, পয়সা নেই, নাতনিটাও নেই, শুধুই রয়ে গেছে তার বিলিয়ে যাওয়া ভালোবাসা গুলো। আর... কিছু মানুষের এমনই এখনো, ফাঁকা গলার চিৎকার।।