সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

টেলসঃ প্রেম ও প্রেয়সী (২য় পর্ব)

ধরা যাক কাব্যিক ছন্দে যদি কেউ বলে ওঠে- ‘পৃথিবী থেকে সমস্ত ঘৃণা সরিয়ে নিতে পারি যদি তোমাকে পাই সারা জীবন পাশে’। ছন্দ মিলল না তো? মেলে না। অনেক সময়ই অনেক কিছুর ছন্দ মেলে না। সুপ্রিয়রও তাই। জীবনে ছন্দপতন লেগেই আছে। তবে সে ছন্দ প্রণয় ঘটিত ছন্দ। নয় নয় করে এযাবৎ কাল অবধি সুপ্রিয় গোটা চার পাঁচেক প্রেম করে ফেলেছে। প্রেমে পরা সুপ্রিয়র কাছে নতুন কিছু নয়। এক প্রেম ভাঙে তো আর একটা নতুন প্রেম শুরু হয়। অতএব বলা যেতেই পারে সুপ্রিয়র জীবন প্রেমময় জীবন। সুপ্রিয় আর পাঁচজনের মত সেই যুবক যে মনে করে যৌবনে শান্তি বজায় রাখতে প্রেম করতে হয় নইলে আফসোস করতে হয়। জীবনে দুঃখ কষ্ট ভাগ করে নেওয়ার মতন মানুষ যদি নাই থেকে তবে নাকি সে জীবন বৃথা। তাই সকলকেই সে একই পরামর্শ দেয়- ‘প্রেম কর, প্রেম কর’। কিন্তু সুপ্রিয় যখন স্কুলে পড়ত তখন সে বুক ফুলিয়ে বলত ‘আমি জীবনে প্রেম করব না’। কিন্তু আফসোস পরিবর্তনের অনেক আগেই সুপ্রিয়র চিন্তা ধারায় পরিবর্তন হওয়ায় সে দর্প চূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তা নিয়ে বন্ধুমহলে হাসিঠাট্টা কম হয়নি। এখনও মাঝে মধ্যেই হয়। কিন্তু সেসব কোথা থাক। বর্তমানে ফেরা যাক। সুপ্রিয় এখন প্রতিষ্ঠিত। একটি মধ্যমানের...

টেলসঃ বর্ষাকাল (১ম পর্ব)

এবারের গরমকালটা যেরম ভুগিয়েছে বর্ষাকালশুরু হওয়ার পর থেকে বৃষ্টি ঠিক সেই একই রকম ভুগিয়ে চলেছে । এক একটা নিম্নচাপের মেয়াদ দীর্ঘদিন ধরে চলছে । বৃষ্টি একবার শুরু হলে থামবার নাম গন্ধ নেই । গরমের সময় যেমন দুফোটা বৃষ্টির জন্য মন ব্যকুল হয়ে উঠেছিল এখন দীর্ঘ দেড় মাসের বর্ষার পর মনে হয় কখন শরতের মেঘ আকাশে দেখা যাবে । কিন্তু উপায় নেই । সবে শ্রাবণের দ্বিতীয় সপ্তাহ । আজ সকাল থেকেই যেন আকাশের মন আরও খারাপ হয়ে গেছে ।   সেই যে ভোররাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তা থামার নাম গন্ধ নেই । বেলার দিকে আবার কালো করে এসে এক পশলা ভারি বর্ষণ হয়ে গেছে । তারপরও যে থেমেছে তা নয় । টিপটিপ করে পরেই চলেছে । কখনও আবার একটু জোড়ে হয় তো কখনও একটু রেহাই দেয় । এরম দিন ঘরে বসে কবিতা লেখার পক্ষে আদর্শ । কিন্তু কাজের জন্য এই ঝড় জল মাথায় নিয়ে বেরোনোর পক্ষে একেবারে সুবিধার নয় । কোন উপায় নেই কাজলকে আজও বেরোতেই হবে । দুপুরের ট্রেনে না হোক বিকেলের ট্রেনে যেতেই হবে । না গেলেই ফোন আসা শুরু হবে কখন আসছিস ? আর কতক্ষন লাগবে ? তাড়াতাড়ি আয় অনেক কাজ ইত্যাদি ইত্যাদি । এই কারনেই কাজলের মাঝে মাঝে মোবাইল ফোনটাকে সহ্য হয় ...

দুপুর ভেজা বৃষ্টি আর রেইন-কোর্ট

সকাল থেকেই মেঘগুলো সব মন কেমনের দিস্তা সর্দি বসা শরীর যেমন বর্ষা জলের তিস্তা! অঙ্ক কষি, ঝাপসা দেখি, বৃষ্টি বুঝি আসবে ওই ছোট্ট আমার ট্রেনের স্টেশন, হুল্লোড় আর হইচই। আবেগঘন জলের ধারায় ঠোঁট ছুঁয়েছে বৃষ্টিজল এখন তোমায় কোথায় পাবো, ফোন খুঁজছে অবিরল। পুরোনো ছাতা, জলের লেখা, মেঘবালকের স্বপ্ন মন আমার ভাঙা সংসারে অবাধ ছুটি সারাক্ষণ! দুপুর বড় অভিলাষী, দুপুর বড় স্বার্থপর ঘষা কাঁচে ঝাপসা দেখায়, বৃষ্টি এলে তেপান্তর। তখন তোমার রিংটোনে রেইন-কোর্টের ছবি গান স্মৃতির কাটা জলের লেখায় অন্য কারোর অভিমান। মিথ্যে কথা বলতে শুনি আমি যখন ওদের মুখে একটা ছবি একটা দুপুর দাঁড়িয়ে থাকে মনের সুখে। অতীত হলেও স্পষ্ট দেখি, চোখের কোনে জমছে জল মনোক্রমে ভিজছে কারা, ঝাপসা হয়ে সিনেমা-হল। তোমার চিঠি আজকে পেলাম, টুকরো টুকরো পাতার ভার- হঠাৎ কেনো কাটাকুটি এমন অবুঝ কবিতার? বিশ্বাস যদি করো তবে একটা কথা বলতে চাই এমন অপমানের কথা পূর্ব মেঘেও লেখা নাই। মেঘের পরে মেঘ করেছে আঁধার আলোয় জমছে সুর তোমার কথা লিখতে বসে হারিয়ে যাচ্ছে এই দুপুর। জানি না ঠিক কোথায় আছো এই সময়ে তুমি আমার যেখানে থাকো ভালো থেকো বলেছি মনে...