সকাল থেকেই মেঘগুলো সব মন কেমনের দিস্তা
সর্দি বসা শরীর যেমন বর্ষা জলের তিস্তা!
অঙ্ক কষি, ঝাপসা দেখি, বৃষ্টি বুঝি আসবে ওই
ছোট্ট আমার ট্রেনের স্টেশন, হুল্লোড় আর হইচই।
আবেগঘন জলের ধারায় ঠোঁট ছুঁয়েছে বৃষ্টিজল
এখন তোমায় কোথায় পাবো, ফোন খুঁজছে অবিরল।
পুরোনো ছাতা, জলের লেখা, মেঘবালকের স্বপ্ন মন
আমার ভাঙা সংসারে অবাধ ছুটি সারাক্ষণ!
দুপুর বড় অভিলাষী, দুপুর বড় স্বার্থপর
ঘষা কাঁচে ঝাপসা দেখায়, বৃষ্টি এলে তেপান্তর।
তখন তোমার রিংটোনে রেইন-কোর্টের ছবি গান
স্মৃতির কাটা জলের লেখায় অন্য কারোর অভিমান।
মিথ্যে কথা বলতে শুনি আমি যখন ওদের মুখে
একটা ছবি একটা দুপুর দাঁড়িয়ে থাকে মনের সুখে।
অতীত হলেও স্পষ্ট দেখি, চোখের কোনে জমছে জল
মনোক্রমে ভিজছে কারা, ঝাপসা হয়ে সিনেমা-হল।
তোমার চিঠি আজকে পেলাম, টুকরো টুকরো পাতার ভার-
হঠাৎ কেনো কাটাকুটি এমন অবুঝ কবিতার?
বিশ্বাস যদি করো তবে একটা কথা বলতে চাই
এমন অপমানের কথা পূর্ব মেঘেও লেখা নাই।
মেঘের পরে মেঘ করেছে আঁধার আলোয় জমছে সুর
তোমার কথা লিখতে বসে হারিয়ে যাচ্ছে এই দুপুর।
জানি না ঠিক কোথায় আছো এই সময়ে তুমি আমার
যেখানে থাকো ভালো থেকো বলেছি মনে বারবার।
বাঁশির সুর মিলিয়ে গেলে ছবি তখন শেষ হবার
রেইন-কোর্টে ভিঝছি আমি সবার সাথে ঋতুদার।
মধ্যরাতে এই শহরে কোথায় পাবো তোমায় আজ?
তবুও তোমার শহর সাজে বৃষ্টি পরার রণ-সাজ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ অসংখ্য।