সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০১৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমার শহরের সান্তারা

আমার শহরটা নাকি বেশ রঙিন। এক এক সময়ে তার বিভিন্ন রঙ ধরা পরে। এই যেমন শীতকাল আসতেই শহরের রঙ বদলে গেছে। একটা কার্নিভাল কার্নিভাল ভাব এসে গেছে। আর এখন আমরা সেই কার্নিভালের একেবারে মধ্যগগনে। বড়দিন কাটিয়ে এখনও হয়ত আলমোরা যায়নি। রঙিন আলোর রেশ কাটিয়ে উঠতে আরও কিছুক্ষণ সময় হয়ত লাগবে। এরই মধ্যে আমাদের অগোচরে সান্তা এসে ঘুরে গেছে।   আমাদের আবদার মেনে একরাশ ওম দিয়ে গেছে। যাকে আমরা পকেটে পুরে নিয়েছে। সারাবছর তাই আমাদের আর কিছু ভাববার নেই। কিন্তু আমরা কি সান্তাকে দেখতে পাই? বা পেয়েছি কোনদিনও? আমি কিন্তু পেয়েছি। আমার আশেপাশে সমস্ত সময় তারা ঘুরে বেরায়। প্রয়োজন হলে হাত বাড়িয়ে দেয়। দুঃখের সময় হঠাৎ করে উপস্থিত হয়, পাশে দাড়ায়, হয়ত হয়ত কেউ কেউ জিজ্ঞেস করে ‘কি হয়েছে?’ আবার কখনও কখনও আমার মোজার ভিতর লুকিয়ে রেখে যায় আমার চাহিদামত জিনিসপত্তর। তাই সান্তারা আছে আমাদের মধ্যেই আছে। হয়ত ঘন কুয়াশায় আমরা তাদের দেখতে পাই না। হয়ত তারা ট্রাম লাইন বরাবর সোজা হেঁটে যায়। হয়ত তারা ভিড়ের মধ্যে মিশে থাকে কিংবা আমাদের একেবারে গা ঘেঁসে থাকে কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না। তাদের...

পিকেঃ আরও একটু সাহসিকতার প্রয়োজন ছিল।

আমার মনে হয় আমরা অধিকাংশ ভারতবাসীই আজকের সময়ে দাড়িয়ে ভাবি যে এই সোশ্যাল সিস্টেমের দশা একেবারে ভগ্ন। এই ভগ্নদশা যে বিভিন্ন আর্ট ফর্ম গুলোতে উঠে আসবে সেটাই কাম্য। কিন্তু আমরা বোধহয় শিল্পের নান্দনিক গুরুত্বের থেকে বিনোদনের গুরুত্বকেই প্রধান্য দিয়ে থাকি। তাই মানুষের সমস্যা কিংবা সিস্টেমের অপপ্রচার যাই হোকনা কেন তাকে বিনোদনের মোড়কে আবদ্ধ করেই পেশ করতে হয় নচেৎ ব্যাবসায়িক ধান্দা নিপাত যাবে। তাই আমরা ভাবলেও সিস্টেমের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করতে পারিনা। ঠিক সেটাই বড় চোখে পড়ল রাজকুমার হিরানীর ‘পিকে’-তে। ঠিক যেমন আমির খানের টেলিভিশন শো। যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনায় বসে সেগুলি নিঃসন্দেহে অবশ্যই স্পর্শকাতর কিন্তু তা আমাদের শুধুমাত্র এই বোধ উপলব্ধ করিয়েই সীমিত থাকে। প্রথাভিত্তিক জীবনকাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে ঠিক কে ঠিক কিংবা ভুল কে ভুল হিসেবে মেনে নিতে বলেনা। বলেনা এই উপলব্ধি থেকে আমাদের চারপাশে ঘটে চলা অন্যায়ের বিরোধিতা করতে বা নিদেনপক্ষে যুক্তিসঙ্গত ভাবে ভুল-ঠিকের কারন তুলে ধরতে। ‘ পিকে’-তেও তাই যে বিষয় নিয়ে ১৫৩ মিনিট ধরে গল্প এগিয়ে চলে তা আপামর ভারতবাসীর সকলেরই জানা। আমরা জানি কিন্তু জেনেও ...