সামাজিক পরিসর আমাদের নিয়মকানুনের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ করে। নিয়ম বহির্ভূত কাজ সমাজের কাছে চক্ষুশূল করে তোলে। কিন্তু কাছের মানুষের কাছে? পরিবারে কাছে? এবং অতঃপর নিজের কাছে? জাভেদ হাসান আমাদের কাছে সেই চরিত্র যার সাথে বাস্তবের মিল খুঁজে বের করে আমরা তাকে কোণঠাসা করে দিই। তার প্রতিভার ওপর জোর না দিয়ে তার সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করি। আমরা তার মূল্যবোধ নির্ধারন করি। মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকির ‘ডুব’ সেই গভীর পরিসরের গল্প এনে বলে যে গল্পে জাভেদ হাসান আমাদের সেই পরিচিত মুখ যার অন্দরমহলের আনাচে কানাচে আমাদের নজর থাকে। ‘ডুব’ বায়োপিক কিনা সে প্রশ্ন প্রশ্নাতীত। চরিত্রের সাথে মিল না খুঁজে আমরা যদি চরিত্রের অতলে ডুব দিই তাহলে আমাদের কাছে এক জটিল সম্পর্কের রসায়ন খুলে যাবে যেখানে বারবার বাবার দেওয়া উপহার ফিরিয়ে দেওয়া মেয়ে বাবার তার গলা শুনতে চাওয়ার ফোন পেয়ে কেঁদে ওঠে। ডুব আমাদের ঝা চকচকে এখনকার বাংলা ছবি থেকে খানিক নিস্তার দিয়েছে। এখানে গল্প শুধু বহমান সময়ের হাত ধরে এগিয়ে চলে। এখানে গল্পের মাপকাঠি নেই। জাঁকজমকপূর্নতা নেই। ক্যামেরা এখানে শুধু মুহুর্তকে ধরে রাখে না, এক ছান্দিক গতিতে সে চরি...