অন্ধকারে পথ হাঁটত রবি, আর সুদেষ্ণা আঁকত ছবি। সেই পথেই একদিন দেখা ওদের, প্রথম দেখাতেই প্রেম, এরপর শুরু দিন বদলের। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মেলামেশা, একে ওপরের কাছে আসা। এরপর এক অনিয়মিত আবদার, দেখাশুনাও হত মাঝেমধ্যে আবার। রবি লিখত চিঠিতে ভরা কবিতা, আর সুদেষ্ণা রাখত বুকের মাঝে গুছিয়ে তা। একটা ইচ্ছে ছিল ওদের ঠিক যেমনটা আছে আমাদের। কিন্তু সময় বড়ই সূক্ষ্ম, পাশ কাটিয়ে যায়- আর রবি শুধুই অন্ধকারে আলোকে হাতড়ায়, সুদেষ্ণা পাশে এসে দাড়ায়, বৃষ্টির দিনে, একটা ছাতায় ওদের দুজনের চলে যায়। কিন্তু কটাই বা স্বপ্ন ছিল ওদের? ওরাই তা জানত। আমি শুধু জানি, ওরা একসাথে থাকতে চাইত। ওরা ঝড় ওঠবার ভয় পেত, লোকাল ট্রেনে আলাদা বসত, আর কখনও বা সুযোগ পেলে- হাতে হাত ধরত। আর মাঝে মাঝে বলত- ‘শেষের কবিতা’র মতন আমাদের শেষটাও যদি এক হয়? কিন্তু কেইই বা মানতে চায় সবটা শুধু আমিই দাড়িয়ে দেখেছি শেষটা। ...