সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নবারুনের প্রতি

শারীরিক স্বাচ্ছন্দ্য জ্ঞাত হওয়ায়, কমিউনিস্ট পার্টির শেষ মিছিলে- শুধু মৃতদেহরা এসেছিল কফিন বন্দী হয়ে। তারপর দিন বদলেছে, আগুন এসে পুড়িয়েছে, শরীরের সকল ছাল চামড়া। ভোরের বাতাসকে দুর্গন্ধ করেছে মোরগের হিসি। রাস্তা ভাসিয়েছে শালিক, কাগের গু। মানুষ অতি সাবধান, আস্তানা গেড়েছে জংলা নদীর পাড়ে। সেখানে নতুন শহর হবে। হবে নতুন শপিংমল, বসবে নতুন মোবাইল টাওয়ার, বিদেয় হবে চড়ুই পাখির দল। শুধু এরপর থেকে বইমেলার এক কোনায়, নতুন বইয়ের গন্ধ নিয়ে চুপচাপ বসে থাকবে না, সাদা চাপ দাড়ির ভদ্রলোক। যিনি চিৎকার করে বলেছিলেন- “এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়”।।  

যেদিন বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম

                        ওপারেতে বৃষ্টি এল ঝাপসা গাছাপালা,                    এপারেতে মেঘের মাথায় একশো মানিকজ্বালা।                     বাদলা হাওয়া মনে পরে ছেলেবেলার গান,                        বৃষ্টি পরে টাপুর-টুপুর নদে এল বান।                        বৃষ্টির কিছু নিয়ম আছে, সে যখন তখন ঝড়ে পড়ে না। ইচ্ছে হলেও না। অনেকটা ঠিক আমাদের মতন, আমরা যেমন চাইলেও কাঁদতে পারি না সবসময়। কান্নার কথা লিখতে গিয়ে মনে পড়ল ক্লাস এইটে এই বৃষ্টির দিনেই একদিন খুব কেঁদেছিলাম। বিকেলে ...