আলো থেকে হঠাৎ করে অন্ধকারে এসে পড়লে মনে খানিকটা
ধাঁধা এসে পরে। হঠাৎ করে মনে হয় কোথায় এলাম? চেনা গলিও অচেনা লাগে। মনে হয় বারবার
পথ ভুল হতে পারে। আগে যখন মফঃস্বলের বুকে নিয়মমাফিক লোডশেডিং হত তখন মানুষের এরম
মনে হত না। কারণ সেটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তারা জানত কোন কোন সময়
লোডশেডিং হতে পারে। তাই তারা আগে থেকেই সতর্ক হয়ে থাকত। এমনকি অনেক বাড়িতে
লোডশেডিং হওয়ার আগেই ডিমলাইট বা ল্যাম্প জ্বেলে রাখা হত। তখনও এমারজেন্সি লাইটের
ব্যবহার এত বৃহত্তর হয়নি। এসবই অতনুর ছেলেবেলার স্মৃতি। কিন্তু হঠাৎ এসব মনে পরছে
কেন?
কাজলকে বিদায় দিয়ে অতনু যখন প্রায় বাড়ির কাছাকাছি চলে
এসেছে অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎই লোডশেডিং। যা এই এলাকায় দীর্ঘদিন পর। তাও আবার রাতের
বেলায়। অতনু বাড়িতে এসে সাইকেল বারান্দায় রেখে হাতমুখ ধুয়ে ঘরে এসে বসতেই মা
রান্নাঘর থেকে প্রায় ছুটে এসে-
-
দিদি ফোন করেছিল তোকে?
-
হ্যাঁ করেছিল।
-
কি বলল?
-
সেরম কিছুনা। তোমায় গিয়ে দুদিন থাকতে
বলল।
-
আমায় গিয়ে? আমি গিয়ে কি করব ওখানে?
-
অত আমি জিজ্ঞেস করিনি। বলল কাজের একটু
চাপ আছে। তারপর আবার বুলটির পরীক্ষা শুরু হবে। তাই তোমায় যেতে বলল।
-
সাগরের কথা কিছু বলেনি?
-
নাহ!
-
তুই কিছু জিজ্ঞেসও করিসনি?
-
আমি কি জিজ্ঞেস করব?
-
জিজ্ঞেস করবি না কিছু? এই বোধটুকু তোর
কবে হবে?
অতনু আর কিছু বলে না চুপ করে যায়। ওর মা তাও বলে যেতে থাকে
‘আমি গেলে এখানে কে সামলাবে? উফ! আমি আর পারিনা। ভগবান আমায় মুক্তি দাও
তুমি..................’।
অতনু এরপরও চুপ করে থাকে। কিছুই বলে না। অন্ধকার ঘরে চুপটি
করে বসে থাকে। বোধহয় দিনকয়েক আগেই
পূর্ণিমা গেছে। জানলা দিয়ে চাঁদের সরু একটা আলো এসে পড়েছে খাটের উপর। অতনু সেই
আলোতে স্পষ্ট দেখতে পায় অনেক অনেক পূর্ণিমা আগে অতনু যখন এরকমই কোন এক লোডশেডিং এর
রাতে কালচে পরা ডিমলাইটের আলোয়
সালোকসংশ্লেষ ও শ্বসনের মধ্যে পার্থক্যগুলো সুবোধবাবুর খাতা থেকে আর একবার চোখ
বোলাচ্ছিল তখনই কেউ একজন দরজার কড়া নেড়েছিল। ঘরে দিদি ছিলনা। বেরিয়েছিল। অতনু জানত
কোথায় গিয়েছিল। মাঝেমধ্যেই যে দিদি সন্ধ্যে হলে সেলাই আনার নাম করে বেড়িয়ে যেত আর
বেশ কিছুক্ষন পর ফিরত সেটা বাড়ির আর কেউ না জানলেও অতনু জানত দিদি আসলে কোথায় যায়।
তাই সেই রাতে মা গিয়েই দরজা খুলেছিল। কে এসেছিল কি বলেছিল অতনু কিছুই জানেনা। অতনু
কিছুক্ষন পর মায়ের এক দীর্ঘ চিৎকার শুনতে পেয়েছিল। যা শুনে আশেপাশের বাড়ি থেকেও
বুবলার মা, হরি, হরির বউ ওদের ৩ বছরের পিঙ্কি এমনকি সত্তরোর্দ্ধ শ্যামল জ্যেঠুও
বেড়িয়ে এসেছিল। কিছুক্ষন পরই বুবলার মা অতনুকে ওদের বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। অতনু
অনেকবার জিজ্ঞেস করেছিল কি হয়েছে? ওকে কিছুই বলা হয়নি। ও শুধু দেখেছিল চৌকাঠে বসে
মা হাউমাউ করে কাঁদছে আর অনেকে মিলে মাকে ঘিরে আছে। বুবলার মা অতনুকে ডাল, ঢ্যাঁড়শ
ভাজা আর কুমড়ো আলুর তরকারি দিয়ে ভাত দিয়েছিল খেতে। অতনু ওদের রান্নাঘরে বসেই
এমারজেন্সির সাদা আলোয় চকচকে থালায় খেয়ে নিয়েছিল। তারপর বুবলার দের বাড়িতেই ছিল।
বাইরে থেকে অনেক লোকের শব্দ শুনতে পাচ্ছিল। বেশ কিছুক্ষন পর বুবলার বাবা এসে
অতনুকে বাইরে নিয়ে আসে। অতনু বাইরে এসে দেখছিল অনেক লোক জড়ো হয়েছে। ও বুঝতে
পেরেছিল কিছু একটা হয়েছে। বাবার জুটমিল থেকেও অনেক লোক এসেছিল। পার্টির লিডার
অনিমেষ কাকুও এসেছিল। অতনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিল। অতনু সেই ভিড়ের মাঝে
দেখেছিল মা তখনও চৌকাঠেই বসে আছে। মা এখন আর কাঁদছে না। কিছু কথা বলছে। কিন্তু কি
বলছে বুঝতে পারছে না। অতনু যখন ঘরে ঢুকতে গিয়েছিল দিদি অতনুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ
করে কাঁদতে লেগেছিল। অতনু তখনও বোঝেনি। এর অনেক পরে প্রায় মধ্যরাতে যখন বাবার নিথর
দেহ পাড়ার দাদাদের কাঁধে করে এনে বাড়ির সামনে রাখা হয়েছিল তখন অতনু বুঝতে পেরেছিল মা
কেন চিৎকার করেছিল।
অতনুর বাবা যে জুটমিলে কাজ করত সেটার অবস্থা দিন দিন
শোচনীয় হয়ে উঠছিল। মালিক শ্রেণী বন্ধ করে দিতে চাইছিল। কিন্তু অতনুর বাবা ওর তার
সহকর্মীরা দীর্ঘ আন্দোলন করে বন্ধ না হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। কিন্তু অতনুর
বাবা মারা যাওয়ার কয়েকদিন আগে জুটমিলের গেঁটে তালা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অতনুর
বাবারা আন্দোলনে বসেছিল। আমরণ আন্দোলন। মালিক শ্রেণী কোন কথা শুনতেই রাজি ছিলনা।
অনেকবার পুলিশ এসে ভয় দেখিয়ে গেছে কিন্তু অতনুর বাবারা সে ভয়ের তোয়াক্কা না করেই
আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিল। এরপর সেদিন বিকেলে চারিদিক যখন কোন এক আগত ঝড়ের সম্ভাবনায়
গুমরে ছিল যখন অতনু খেলার মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিল ঠিক সেই সময় জুটমিলের গেটে একটা
বোমা পরে। সমস্ত শ্রমিকেরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। কেউ কেউ ভয়ে পালিয়ে যায়।
অনেকে দূরে কোথাও গিয়ে গা ঢাকা দেয়। এরপরও বাকি যারা ঘটনাস্থলে ছিল তারা কালো
ধোঁয়া কেটে গেলে মিলের গেঁটের সামনে এসে দেখতে পায় দুটো রক্তাক্ত শরীর রাস্তায় পরে
কাতরাচ্ছে আর তার খানিকটা দূরে ঝোপের সামনে একটা নিথর দেহ পরে আছে। সেই নিথর দেহই
এরপর অনেক রাতে চার কাঁধে ভর দিয়ে অতনুদের বাড়ির সামনে এসেছিল।
অতনু বুঝেছিল তার বাবা মারা গেছে। আর কিছুক্ষন পরেই তার
বাবার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হবে। তখনও এই এলাকায় বৈদ্যুতিক চুল্লির প্রচলন হয়নি। তাই
অতনুর বাবার দেহ রেখে তার ওপর কাঠ জড়ো কড়া হচ্ছিল যখন তখন খানিক দূরে বুবলার বাবার
হাত ধরে অতনু দাড়িয়ে থেকে শুনেছিল কিছুদূরে অন্ধকারে দাড়িয়ে তার বাবার কোন সহকর্মী
বলছে-‘এই মৃত্যুর বদলা আমাদের নিতেই হবে। অধীর দার মৃত্যু এত সস্তা নয়। মালিককে
বুঝিয়ে দিতে হবে আমরাও পারি বুঝিয়ে দিতে’।
অতনু তখনও বোঝেনি এই আবেগ এই ভালোবাসা এই শ্রদ্ধা লড়াইকে
কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। অতনু তখনও জানত না এই লড়াইকে রাষ্ট্র যন্ত্র কখনও
মাথা তুলে দাড়াতে দেবে না। কিছুদিন পরই এই লোকগুলো হয় ভ্যান চালিয়ে নয়ত হকারি করে
বা সব্জির দোকান দিয়ে রাতে বাড়ির ফেরার পথে জীবনের সমস্ত গ্লানিকে দূরে রেখে,
সমস্ত প্রতিবাদকে ভুলে গিয়ে বাড়িতে উপস্থিত স্ত্রীয়ের ছেঁড়া কাপরের গন্ধ নিয়ে
রাষ্ট্র যন্ত্রের দেওয়া ললিপপ চুষতে চুষতে সময়কে ভুলে থাকার চেষ্টায়, একা এবং
একাকীত্বকে কাটিয়ে ওঠবার তাগিদে পাড়ার কোন বাংলার ঠেকে গিয়ে দৈনিক উপার্জনের
অর্ধেক গলায় ঢেলে দিয়ে অনেক রাতে যখন টলতে টলতে বাড়ি ফিরবে, বাড়ির দুয়ারে যখন মরার
মত পরে থাকবে হুঁশ ফিরলে যখন খিদেয় ছটফট করবে তখন একফোঁটা খাবারও পাবে না। ঘরের
ভিতরে যখন স্ত্রী পুত্রের দেহ রক্তে ভেসে যেতে দেখবে তখন হয় রেললাইনের ধারে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পরে থাকবে নয়ত ঘরের সিলিং ঠেকে
ঝুলে থাকবে। ঘুণাক্ষরেও জানতে পারবে না এতে রাষ্ট্র যন্ত্রের কোন বাল ছেঁড়া যায়
না।
খেয়া ঘাটের সিঁড়ির ওপর বসে থাকতে থাকতে অতনু যখন দেখতে পেল
ভোরের আলো আস্তে আস্তে ফুটছে ঠিক তখনই বুবলার বাবা হাত ধরে চিতার কাছে তাকে নিয়ে
গেল। ডোম সদাসিব বাংলা খেয়ে চুর হয়েও সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছিল পাশে। অতনু যখন বাবার
চিতায় আগুন দিচ্ছিল তখন বাইরে কারা স্লোগান তুলেছিল-
‘অধীর দা অমর রহে। এই লড়াই চলছে চলবে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।
‘অধীর দা অমর রহে। এই লড়াই চলছে চলবে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।
স্লোগানের জোড় এতছিল যে গাছ থেকে পাখিরা উড়ে যেতে বাধ্য
হয়েছিল। নদীতে ভাঁটার স্রোতের তিব্রতা বেড়ে গিয়েছিল। চিতা থেকে আগুনের ফুলকি এসে
জ্বালিয়ে দিয়েছিল পাশে পরে থাকা খড়ের গাদাকে। যদিও এই সবই কাল্পনিক তবুও এই কল্পনা
বাস্তবে পরিণত হতে কতক্ষন। কতক্ষন কেউ চুপ করে থাকবে কতক্ষন কেউ মুখ বুজে সব সহ্য
করবে। কোথাও একটা পুঞ্জীভূত ক্ষোভ জমা হচ্ছিল। অতনু নিজেও সেটা বুঝতে পারেনি তখনও।
এর অনেক পরে অতনু জেনেছিল তার দিদি এখন
আর সেলাইএর নাম করে সন্ধ্যেবেলায় বাড়ির বাইরে যায় না। উচ্চমাধ্যমিকে ইংলিশে ব্যাক
পাওয়ার পর দিদি আর পড়াশুনা করেনি। হরির বউয়ের সাথে গিয়ে গিয়ে তখন মাঝে মধ্যে
বিভিন্ন হাতের কাজ নিয়ে আসত। কখনও রাখির সিজনে রাখি বানাবার কাজ, বিভিন্ন
এমব্রয়ডারির কাজ ইত্যাদি। হরির বউ আর দিদি মিলে সায়া ব্লাউজ বানানো, সেলাই, শাড়িতে
পার লাগানো এইসবের একটা ছোট ব্যবসা খুলেছিল। টুকটাক আয় হত কিছু। সেই টাকা জমিয়েই
ভাইকে একটা ফাউন্টেন পেন কিনে দিয়েছিল। কিন্তু অতনু কোনদিনও জিজ্ঞেস করেনি এখন আর
সন্ধ্যেবেলা দিদি কেন বের হয় না? কেন দিদিকে অতনু এখন আর কালভার্টের ওখানে
অন্ধকারে সন্দীপ দার সাথে দাড়িয়ে থাকতে দেখে না। অতনু এসব কিছুই কোনদিনও দিদিকে
জিজ্ঞেস করেনি। শুধুমাত্র দিদির সবচেয়ে ভালো বন্ধু পিয়ালি যেদিন নিজের বিয়ের
নিমত্রন্ন করতে এসেছিল সেদিন সে দিদিকে দেখেছিল মুখ লুকিয়ে কাঁদতে। তাও অতনু কিছু
জিজ্ঞেস করেনি। কিন্তু এরও অনেকদিন পর জেনেছিল পকেটে পয়সা নেই যাদের তাদের প্রেম
ট্রেম নিয়ে আদিখ্যেতা না থাকাই ভাল। প্রেম জিনিসটা আজকের বাজারে একটা সম্পূর্ণ
পুঁজিবাদী বস্তু।
আকাশে বেশ কিছুক্ষন আগেই মেঘ এসে চাঁদকে ঢেকে দিয়েছে। অতনু
সেটা খেয়াল করেনি। জানলা দিয়ে আর সাদা আলো এসে বিছানায় পড়ছে না। অতনু সেটাও খেয়াল
করেনি। হঠাৎ মায়ের গলার শব্দে সম্বিত ফিরল।
-
কিরে খাবি না?
-
কটা বাজে?
-
১০টা তো বেজে গেছে প্রায়। আজ আর মনে হয়
না কারেন্ট আসবে। কোথাও বড় কিছু হয়েছে। আসবার সময় দেখলি কিছু?
-
না আশেপাশে তেমন কিছু দেখিনি।
-
আমি খাবার দিচ্ছি, খেয়ে নিয়ে তাড়াতাড়ি
ঘুমিয়ে পর। কাল সকালে আমায় দিদির বাড়ি দিয়ে আসিস।
-
তুমি যাবে? কবে ফিরবে?
-
আগে তো যাই তারপর দেখছি। আমি বুবলার মাকে
বলে যাব আমি না ফিরলে তুই ওদের বাড়িতে খেয়ে নিস।
-
কোন দরকার নেই অন্যের বাড়িতে খাওয়ার। আমি
বাইরে খেয়ে নেব।
-
বাইরে খেয়ে নিবি মানে? অত টাকা পাবি
কোথায়?
-
আছে। মাইনে পেয়েছি আজ।
-
সেই টাকা খরচ করবি? ঐ টাকা দিয়ে তোর
গ্যাস আনবার কথা না এই মাসে?
অতনু কিছুক্ষন চুপ করে থাকে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। মায়ের
মুখের দিকে তাকায়। অন্ধকারে স্পষ্ট দেখা যায় না। অতনু মায়ের হাত ধরে মাকে আশ্বস্ত
করে এই বল যে -‘হয়ে যাবে। আমি ম্যানেজ করে নেব’।
মা কিছু বলে না আর। খাবার নিয়ে আসতে রান্নাঘরে চলে যায়।
অতনু চুপ করে বসে থাকে। মেঘের ফাঁক দিয়ে চাঁদ আবার উঁকি দিতে শুরু করেছে। অতনুর
মনে পড়ে ছোটবেলায় যখন ছুটিতে বর্ধমানে মাসির বেড়াতে যেত তখন ওখানে সন্ধ্যেবেলা
সবাই মিলে ছাদে বসে খুব গল্প করত। এরকমই কোন এক গল্পের আসরে ঠিক বিছানায় এসে পরা
চাঁদের আলোর মত সাদা ধবধবে পাজামা পাঞ্জাবী পরে বাবা তাদের পাশে বসে একদিন বলেছিল ‘সবসময়
মনে রাখবি অন্যায়ের প্রতিবাদ করা উচিত। যে অন্যায় সহে সেও কিন্তু অপরাধী’। অতনু
কিছুই না বুঝে বাবার দিকে তাকিয়ে হেসে বাবার কোলে শুয়ে পরেছিল। কিন্তু কোথাও
কথাগুলো মনের মধ্যে থেকে গিয়েছিল। অনেক পরে ইতিহাস বইয়ের পাতায় যখন পড়েছিল
স্বাধীনতা সংগ্রামীরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিল বলেই অনেকের জীবন কেড়ে নেওয়া
হয়েছিল, তখন বুঝছিল প্রকৃত সংগ্রাম নিবদ্ধ আছে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমেই। (ক্রমশ)
ছবিঃ গুগল ইমেজ।

onekdiner ekta chena chhobi... chokhe vese uthlo... osadharon... egiye chol..
উত্তরমুছুন